Thursday , July 18 2019

রোজায় নারীদের নিয়ে হুজুরের ওয়াজ ফেসবুকে ভাইরাল

সবার আগে ওঠে কে আর সবার শেষে ঘুমায় কে? কাপড় ধোয়া, রান্না করা, ঘর গোছানো, সন্তান সামলানো কেবল মা আর স্ত্রীদের দায়িত্ব ভাবছেন?

কী মূল্যায়ন করেছেন তাদের? এসব তাদের দায়িত্ব নয়। এসব হচ্ছে এহসান। ওয়াজে নারীদের নিয়ে এভাবে কথাগুলো বলছিলেন মাওলানা আবদুল হাই মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ।

রাজধানীর পল্লবীর মসজিদুল জুমা কমপ্লেক্সের খতিব মাওলানা আবদুল হাই মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ ওই ওয়াজটি তার ফেসবুক পেজে গত বুধবার (১৫ মে) শেয়ার দেন। শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ভিডিওটি ১৩ হাজারেরও বেশি মানুষ শেয়ার দিয়েছেন।

এছাড়াও তার এ ওয়াজকে প্রশংসা করেছেন হাজার হাজার নেটিজেনরা। শনিবার রাতে পক্ষ থেকে মাওলানা আবদুল হাই মুহাম্মদ সাইফুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।

হঠাৎ কেন নারীদের নিয়ে এমন ওয়াজ?-এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আসলে আমি অনেকদিন ধরে বিষয়টি দেখেছি। আমি একান্নবর্তী ফ্যামিলির ছেলে। ছোট থেকেই দেখে এসেছি আমার মা কত কষ্ট করে আমাদের লালন-পালনসহ সংসার গুছাচ্ছেন।

আমাদের বোনরাও সাংসারিক কাজে কত অবদান রাখেন। কিন্তু তারা কেউই এ নিয়ে আক্ষেপ করে না। তারা এটাকে খুবই সহজভাবে নিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমি অনেক দিন ধরেই চিন্তা করছি।

আবদুল হাই মুহাম্মদ সাইফুল্লাহর পরিচয়

রাজধানীর পল্লবীর মসজিদুল জুমা কমপ্লেক্সের খতিব মাওলানা আবদুল হাই মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে কমপারেটিভ রিলিজিয়াস বিষয়ে পিএইচডি করছেন। এছাড়াও তিনি বেসরকারি টেলিকম সংস্থা ইবিএসের রিলিজিসিয়াস এসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর।

পারিবারিক জীবনে তিনি দুই মেয়ের জনক। বড় মেয়ে নার্সারিতে পড়ে আর ছোট মেয়ের বয়স মাত্র ৮ মাস। তার গ্রামের বাড়ি নওগাঁ শহরে উকিলপাড়া। বাবা নওগাঁ আলিয়া মাদ্রাসার প্রধান মুহাদ্দিস ও নওগাঁ কাঁচারি মসজিদের খতিব।

মাওলানা আবদুল হাই মুহাম্মদ সাইফুল্লাহদের সাত ভাইবোন। পাঁচ ভাই ও দুই বোন। এর মধ্যে দুই ভাই ঢাকা মেডিকেলের ডা. নূরুল্লাহ ও ডা. নিয়ামতউল্লাহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেছেন।